ইন্ডিয়ান...
প্রথম পাতা ›  বিবৃতি ও বক্তৃতা  ›  ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল...

ভারতীয় হাই কমিশন

ঢাকা 

ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল এন্ড ইকোনোমিক কো-অপারেশন (আইটেক) প্রোগ্রাম এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) দিবস উদযাপন  উপলক্ষে  হাই কমিশনারের বক্তব্য 

(২০ মার্চ ২০১৭)

আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব এএইচএম মুস্তফা কামাল, এফসিপি, এমপি; সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, প্রিয় আইটেক ও আইসিসিআর প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, সংবাদ মাধ্যম থেকে আগত বন্ধুগণ, ভদ্র মহিলা ও মহোদয়গণ, আজকের এই আইটেক ও আইসিসিআর দিবসের বার্ষিকী উদযাপনের জন্য আপনাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।

২. ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল এন্ড ইকোনোমিক কো-অপারেশন প্রোগ্রাম (আইটেক) ভারতের উন্নয়ন সহযোগিতা প্রশাসনের অন্যতম একটি প্রোগ্রাম। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রোগ্রামটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইস্ট ইউরোপ, ল্যাটিন আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এবং ক্ষুদ্র দ্বীপের দেশসহ ১৬১ টি দেশে বন্ধুত্বের সেতু-বন্ধন গড়ে তুলেছে। এই বন্ধু দেশগুলো স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সাত দশক ধরে ভারতের অর্জিত উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য আমন্ত্রিত। আইটেক হল পারস্পরিক সুবিধার জন্য সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব সম্পর্কিত প্রোগ্রাম।

৩. প্রতি বছর ভারত জুড়ে ৪৭ টি তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান আইটেক প্রোগ্রামের আওতায়  ২৮০ টি স্বল্প, মাঝারি ও দীর্ঘ মেয়াদি কোর্সে অংশ নেয়। এই প্রোগ্রামের আওতায় বিভিন্ন রকম কার্যক্রমের ফলশ্রুতিতে কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতাসহ প্রশিক্ষণ প্রদান, পরামর্শ সেবা এবং সম্ভাব্যতা যাচাই শিক্ষা সরবরাহে ভারতের দক্ষতা সম্পর্কে এখন অন্যান্য দেশে একটি স্পষ্ট ও বর্ধিত সচেতনতা রয়েছে। প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন-হিসাব, নিরীক্ষা, ব্যবস্থাপনা, এসএমই, গ্রামীণ উন্নয়ন, সংসদীয় বিষয়াবলী ইত্যাদিতে প্রশিক্ষণের জন্য সহযোগী দেশেসমূহে ১০,০০০-এরও বেশি প্রশিক্ষণ পর্বের আয়োজন করা হয়। দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা আইটেক প্রোগ্রামের একটি অন্যতম লক্ষ্য।

৪. আইটেকের আওতায় নিয়মিত কোর্সের বাইরেও সহযোগী দেশসমূহের অনুরোধে বিশেষ কোর্স ও প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করা হয়। বর্তমান বছর গুলোতে নতুন নতুন ক্ষেত্রে বিশেষ কোর্সের আয়োজন করছে, যেমন- নির্বাচন ব্যবস্থাপনা (আইআইডিইএম), নিউ দিল্লী, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা (মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়ের সঙ্গে), সরকারি কর্মকর্তাদের চাকরি মধ্যবর্তী প্রশিক্ষণ (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এডমিনিস্ট্রেটিভ রিচার্স/ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গভর্নেন্স এনআইএআর/এনসিজিজি), সংসদীয় শিক্ষা (ব্যুরো অফ পার্লামেন্টারি স্টাডিস, গ্রামীণ অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা (হিউম্যান  সেটেলমেন্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট), ফ্রাগরেন্স এন্ড ফ্লেভার স্টাডিস ( ফ্রাগরেন্স এন্ড ফ্লেভার ডেভলপমেন্ট সেন্টার), ডব্লিউটিও সম্পর্কিত বিষয় (সেন্টার ফর ডব্লিউটিও স্টাডিস, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ফরেন ট্রেড) ইত্যাদি। আইটেকের আওতায় তিলোনিয়ার বেয়ারফুট কলেজে স্বল্পোন্নত দেশগুলো থেকে অর্ধ-শিক্ষিত ও অশিক্ষিত মাতামহদের জন্য সৌর প্রযুক্তির উপর একটি কোর্সসহ আরও কিছু সৃজনশীল কোর্সের আয়োজন করে থাকে।

৫. বাংলাদেশ সরকারের সুনির্দিষ্ট অনুরোধে শিক্ষকদের জন্য 'আইটি, ওয়েব ডিজাইনিং, ইংলিশ কমিউনিকেটিভ স্কিলস এন্ড পেডাগগি'-এর উপর কোর্সের নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। চেন্নাই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং এন্ড রিসার্স (এনআইটিটিটিআর-এ বিশেষায়িত কোর্সের দুইটি ব্যাচ অংশগ্রহণ করেছে, যেগুলোতে বিদ্যালয়, মানবিক ও বিজ্ঞান কলেজ, পলিটেকনিক, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রায় ৮০জন শিক্ষককে প্রশিক্ষিন দেয়া হয়। এর সাথে সাথে আমরা বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিউ দিল্লীতে সেন্টার ফর ফায়ার সেফটি ম্যানেজমেন্ট ও ট্রেনিং-এর শুরু করেছি। চলতি আর্থিক বছরে নতুন ব্যাচগুলোতে ত্রিশ জন অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণে অংশ নেয়।

৬. প্রতিবেশী কলম্বো প্ল্যান দেশসমূহে কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের উদ্দেশে ১৯৫০ সালে টেকনিক্যাল কো-অপারেশন স্কিম (টিসিএস) অফ কলম্বো প্ল্যান নামে ভারতে দক্ষতা বৃদ্ধির আরও একটি প্রোগ্রাম শুরু করা হয়। কলম্বো প্ল্যানের সদস্য দেশ থেকে আগত প্রশিক্ষণার্থীদের মানব সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের প্রশাসনিক ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সহযোগিতার লক্ষে এই স্কিম ভারতে সামগ্রিক ও সমন্বিত প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। ভারত প্রতি বছর সদস্য দেশ সমূহে ৫০০ পর্ব কোর্স প্রদান করে থাকে।  বাংলাদেশের জন্য ৩৫ টি পর্ব বন্টন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের বিষয় গুলো হচ্ছে মানব সম্পদ উন্নয়ন, হিসাব রক্ষণ-নিরীক্ষণ, বাণিজ্য ,তথ্য প্রযুক্তি, কম্পিউটার শিক্ষা, সংসদীয় বিষয়, গ্রামীণ উন্নয়ন, বস্ত্র, পানি সম্পদ, চিকিৎসা বিজ্ঞান, প্রকৌশলী, অর্থ ব্যবস্থাপনা, বীমা ইত্যাদি। ভারত টিসিএস অফ কলম্বো প্লানের আওতায় ভুটানে কিছু সংখ্যক প্রভাষক  নিয়োগ দিয়ে থাকে।

৭.         মিড ক্যারিয়ার ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এমসিটিপি)-এর আওতায় প্রশাসন খাতে বাংলাদেশী সরকারি কর্মচারিদের তিন বছর মেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য ১৫০০ আসন রয়েছে।  এই কোর্সটি পরিচালনার জন্য মুসউরি-র ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গভর্নেন্স (এলবিএসএসএএ)-কে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে বাছাই করা হয়েছিল। শাসন, পূর্ণ মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক নীতিমালা, জাতীয় ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি এবং অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ক ধারণা, সামাজিক খাত ব্যবস্থাপনা, এমএসআরইজিএ, এনআরএলএম, পল্লী স্বাস্থ্য বিষয়ে সেরা অনুশীলন, সরকারি সরবরাহ পদ্ধতি ও ক্রয়, আর্থিক অন্তর্ভু্িক্ত ও সরাসরি মুনাফা হস্তান্তর/আধার, ই-প্রশাসন এবং সেবা সরবরাহ, ই-দপ্তর, ভারতে বিকেন্দ্রিকরণ, কম্যুনিটির অংশগ্রহণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নগর উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয় এই প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত। 

৮.        এই কর্মসূচির আওতায়, মুসউরি-র ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গভর্নেন্স-এ ৩৪টি ব্যাচে এ পর্যন্ত ১১৩৫ বাংলাদেশী সরকারি কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এই একই প্রতিষ্ঠানে এখন পর্যন্ত ৬২ জেলার জেলা প্রশাসকগণ বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। ২৮ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল ২০১৭ পর্যন্ত  ১৬ জন জেলা প্রশাসক এবং আগামী মাসগুলোতে আরও ১৬ জন জেলা প্রশাসক সেখানে প্রশিক্ষণ নিতে যাবেন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে আইটেক প্রকল্পের অধীনে ৬১০ এবং টিসিএস-এর অধীনে ২৫ তরুণ পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে (২০১৬-১৭) এ পর্যন্ত মোট ৫২১ প্রশিক্ষণার্থীকে (আইটেক প্রকল্পের অধীনে ২১৯, বিশেষ কোর্স (এলবিএসএনএনএ)-এর অধীনে ২৬৮ এবং টিসিএস-এর অধীনে ৩৪ প্রশিক্ষণার্থী) প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। 

৯.        স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ১৯৫০ সালে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালাচারাল রিলেশনস্ (আইসিসিআর) প্রতিষ্ঠা করেন। আইসিসিআর ভারতের বৈদেশিক সাংস্কৃতিক সম্পর্কের সাথে সম্পৃক্ত নীতিমালাসমূহ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ভারত ও অন্যান্য দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক লালন এবং অন্যান্য মানুষের সাথে সাংস্কৃতিক বিনিময় উন্নীত করায় সহায়তা করে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, আইসিসিআর ভারতে অধ্যয়নের জন্য বিদেশী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান শুরু করেছে। ভারত সরকার বছরে আইসিসিআর-এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ প্রায় ১৩৫টি দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৪টি শিক্ষাবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে থাকে। আইসিসিআর বৃত্তিপ্রাপ্তদের দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়, জওয়াহেরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়  (জেএনইউ), যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কোলকাতা, নর্থ-ইস্টার্ণ হিল ইউনিভার্সিটি, শিলং এবং দেশের সকল এনআইটিসহ সমগ্র ভারতের ১৪০টিরও বেশি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ রয়েছে। 

১০.      ২০১০ সালে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের পর এবং পরবর্তীতে ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর ঢাকা সফরের পর আইসিসিআর বৃত্তির সংখ্যা ২০১২ থেকে প্রতি বছর বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ থেকে ২০০-এর বেশি হয়েছে। এই শিক্ষাবৃত্তিগুলো বাংলাদেশীদের পশ্চিমবঙ্গ, নয়া দিল্লী, ব্যাঙ্গালোর, পুনে এবং চেন্নাইসহ ভারতের সকল প্রধান প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নের সুযোগ করে দিচ্ছে। আইসিসিআর শিক্ষাবৃত্তির আওতায় প্রকৌশল, বিজ্ঞান, বাণিজ্য, মানবিক, চারুকলা, ব্যবস্থাপনাসহ অনেক বিষয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট, পোস্টগ্রাজুয়েট ও পিএইচডি পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে ব্যাপক অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীগণ এই সম্মানজনক আইসিসিআর শিক্ষাবৃত্তি থেকে উপকৃত হয়েছেন। 

১১.       শিক্ষা সমাপ্ত করে ভারত থেকে ফিরে আসার পর, আইসিসিআর শিক্ষার্থীরা একটি শাশ্বত সেতুবন্ধন গড়ে তোলেন যা তাঁরা বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় হাই কমিশন কর্তৃক আয়োজিত সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে লালন করে থাকেন। এঁরা সকলেই সরকারি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ও দেশের বাইরে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আইসিসিআর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন স্তর থেকে আসা বিপুলসংখ্যক খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সাদী মোহাম্মদ, সুজিত মোস্তফা ও লিলি ইসলাম, নৃত্যশিল্পী শিবলি মোহাম্মদ, মুনমুন আহমেদ, তাবাসসুম আহমেদ, ওয়ার্দা রিহাব, চিত্রশিল্পী রণজিৎ দাস, আব্দুস শাকুর শাহ, ফরিদা জামান, শিশির ভট্টাচার্য্য এবং শিক্ষাবিদ অধ্যাপক রাজীব হুমায়ুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএএমএস আরেফিন সিদ্দিকী, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. আখতারুজ্জামান, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ এঁরা সকলেই আইসিসিআর স্কলার। বাংলাদেশে আমাদের আইসিসিআর ও আইটেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি চৌকষ দল রয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতে অধ্যয়ন করেছেন এমন শিক্ষার্থীদের সংগঠন- এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশী স্টুডেন্টস স্টাডিড ইন ইন্ডিয়া (এবিএসসিআইআই) অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে এবং আইডিইবি-এর নিজস্ব আইটেক এলামনাই এসেসিয়েশন রয়েছে। আমরা এঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং তাঁদের উৎসাহিত করে থাকি। 

১২.       ভারতীয় হাই কমিশন প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি ও সম্বর্ধনা দিতে এবং আমাদের বন্ধুত্ব ঝালিয়ে নিতে প্রতিবছর আইটেক ও আইসিসিআর দিবস পালন করে থাকে, যেটি বন্ধু দেশ হিসেবে আমাদের গভীর বন্ধনের একটি প্রতিফলন। এখানে আসার জন্য আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনাদের জন্য একটি সুন্দর সন্ধ্যা আশা করছি। 

আপনাদের ধন্যবাদ। ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক।

 

****

 

 
 
 


ঠিকানা: ভারতীয় হাই কমিশন
প্লট নং. ১-৩, পার্ক রোড, বারিধারা, ঢাকা-১২১২
কর্ম ঘন্টা: সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত
(রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত)
টেলিফোন নম্বরসমূহ: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬৪
ইপিএবিএক্স: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩০১-৩০৮ এবং +৮৮০-২-৫৫০৬৭৬৪৫-৬৪৯
ফ্যাক্স নম্বর: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬১