চট্টগামে...
প্রথম পাতা ›  বিবৃতি ও বক্তৃতা  ›  চট্টগামে মুক্তিযোদ্ধা...

ভারতীয় হাই কমিশন

ঢাকা 

মুক্তিযোদ্ধাবৃত্তিপ্রদানঅনুষ্ঠানেভারতীয়হাইকমিশনারেরভাষণ

(চট্টগ্রাম,২৯এপ্রিল, ২০১৭)

 

নমস্কার/আসসালাম ওয়ালাইকুম/শুভ সকাল

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মাননীয় মন্ত্রী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়

জনাব মোঃ রুহুল আমিন, বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম 

শ্রী সোমনাথ হালদার, সহকারী হাই কমিশনার, চট্টগ্রাম

ব্রিগেডিয়ার জে এস নন্দা, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, 

বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, 

মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীগণ, 

মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ

ভারতীয় হাই কমিশনারের সহকর্মীবৃন্দ

আমি এই সুন্দর বন্দর নগরী; চট্টগ্রামে এসে খুব খুশি। 

ভারতীয় সরকার ২০১৬ সালে মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি প্রদান স্কিম শুরু করেছিল মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের জন্য। এখন পর্যন্ত দশ হাজারেরও বেশী পনের কোটি টাকার মূল্যমানের বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

এই বছর, ছয়শত আন্ডার গ্রাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান করা হবে। আমরা খুশি যে চট্টগ্রামের আটছল্লিশ জন মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারীদের কে বৃত্তি প্রদান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সাম্প্রতিক ভারত সফরের সময়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ ভারতীয় সেনাদের সম্মানিত করার জন্যে আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের সময়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে তিনটি নতুন কল্যানমূলক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।

  • সব মুক্তিযোদ্ধাগণ পাঁচ বছরের ভারতীয় মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পাবার জন্য যোগ্য হবেন।
  • প্রত্যেক বছর একশ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে।
  • নতুন মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি স্কিমের আওতায় আরো দশ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে পঁয়ত্রিশ কোটি রুপি মূল্যমানের বৃত্তি প্রদান করা হবে।

নতুন স্কিমের আওতায়, উচ্চমাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা একবারে বিশ হাজার টাকা এবং যারা নিম্ন গ্রাজুয়েট স্তরের আছে তারা পাবে পঞ্চাশ হাজার টাকা। 

নতুন স্কিমের আওতায়, উচ্চমাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীরা একবারে বিশ হাজার টাকা এবং যারা আন্ডার গ্রাজুয়েট স্তরের আছে তারা পাবে পঞ্চাশ হাজার টাকা। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই উদ্যোগের ঘোষণা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমাদের দৃঢ় বন্ধনে বহিঃপ্রকাশ। 

বাংলাদেশের মুক্তির জন্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা আর ভারতীয়রা সেনারা একসাথে রক্ত দিয়েছিল। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী সম্পর্কের বীজ বপন করেছিলেন।

বর্তমানে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই সম্পর্ক আরো নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। আশা করছি, আমাদের এই সম্পর্ক চিরদিন অবিচ্ছেদ্দ্য থাকবে।

এই অনুষ্ঠানে আমি দুই দেশের শহীদদের আত্মার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছি; যারা স্বাধীনতার যুদ্ধে আত্মত্যাগ করেছেন। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। 

আমি সম্মানিত মন্ত্রী, জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি কে, যিনি নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা, এই অনুষ্ঠানকে আলোকিত করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আমি জনাব মোঃ রুহুল আমিন, বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং উপস্থিত সম্মানিত সবাইকে ধন্যবাদ জানাই আপনাদের ওই মূল্যবান সময় দিয়ে এই উপলক্ষকে আলোকিত করার জন্য।

জয় হিন্দ....জয় বাংলা

****

 
 
 


ঠিকানা: ভারতীয় হাই কমিশন
প্লট নং. ১-৩, পার্ক রোড, বারিধারা, ঢাকা-১২১২
কর্ম ঘন্টা: সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত
(রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত)
টেলিফোন নম্বরসমূহ: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬৪
ইপিএবিএক্স: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩০১-৩০৮ এবং +৮৮০-২-৫৫০৬৭৬৪৫-৬৪৯
ফ্যাক্স নম্বর: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬১