বাংলাদেশের...
প্রথম পাতা ›  বিবৃতি ও বক্তৃতা  ›  বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর...

dhaka_logo

ভারতীয় হাই কমিশন

ঢাকা

*****

বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতের অর্থ ও কর্পোরেটবিষয়ক মন্ত্রীর সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতি

মাননীয় অর্থমন্ত্রীর আমন্ত্রণে প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। তাঁর উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং আমাকে ও আমার সঙ্গে আসা প্রতিনিধিদলকে সদয় আতিথেয়তা প্রদানের জন্য আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।

মন্ত্রী এবং আমি আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিশেষ করে আমাদের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়েপর্যালোচনা করেছি যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি খুবই মুগ্ধ।

ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে যা সাম্প্রতিক কালে ক্রমবর্ধমান । ভারতের স্বার্থে প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং আমরা আমাদের পারস্পরিক সংযোগ গভীর করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং অন্যান্য দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য একটি মডেল হয়ে দাঁডিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফর একটি উল্লেথযোগ্য ঘটনা যার ফলশ্রুতিস্বরুপ রেকর্ডসংখ্যক ৩৬টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশকে ভারতের সরকারি-বেসরকারি খাতের বিভিন্ন কোম্পানির নানা বিনিয়োগ প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।

মন্ত্রী ও আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফরকালে ঘোষিত সাড়ে ৪শো কোটি ডলারের তৃতীয় ঋণরেখার কার্যক্রম শুরুর ঋণচুক্তির স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করলাম।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশীদার হতে ভারত পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাম্প্রতিক বছরগুলেরাতে আমরা বাংলাদেশকে ৮শো কোটি ডলারের ৩টি ঋণরেখা প্রদান করেছি। এ পর্যন্ত এটাই ভারতের কোন দেশকে দেওয়া সর্বোচ্চ মাত্রার ঋণ এবংএটি অতি হ্রাসকৃত সুদে দেওয়াহয়েছে ।

তৃতীয় ঋণরেখা চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেলপথ, সড়ক, জাহাজ চলাচল, বন্দর প্রভৃতির মত অবকাঠামোগত গুরুত্বপূর্ণ খাতে ১৭টি পূর্বচিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। বাংলাদেশকে ভারতের দেয়া অতীতের ঋণরেখাগুলির মত এই ঋণরেখাটিও অত্যন্ত হ্রাসকৃত সুদে বছরে মাত্র ১ শতাংশ হার সুদে প্রদান করা হল এবং এই ঋণ (৫ বছরের জন্য স্থগিত রাখার সময়সহ) ২০ বছর সময়কালে পরিশোধ করতে হবে।


আমাদের দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, উপ-আঞ্চলিক অথনৈতিক সহযোগিতা এবং এতদঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনে যোগাযোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক, রেল, জল ও উপকূলীয় জাহাজ চলাচলসহ ১৯৬৫-পূর্ব সংযোগ পুনরুদ্ধারে আমাদের উভয় দেশের সরকার গুরুত্বারোপ করেছেন জেনে আমি খুশি হয়েছি। আমার বিশ্বাস আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং আমাদের দু’দেশের মানুষে-মানুষে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ সাহায্য করবে।


আজ বিকেলে এক্সিম ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ঢাকায় তাদের প্রতিনিধিত্বমূলক কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবে জেনেও আমি আনন্দিত। আমাদের দুই দেশের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব এতে গতিশীল হবে এবং এটি বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। এই সব অগ্রগতি আমাদের দুই দেশের মধ্যে আন্ত:সংযোগ ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সহযোগিতারই নিদর্শন।


ঢাকা

০৪ অক্টোবর ২০১৭

*****

 
 
 


ঠিকানা: ভারতীয় হাই কমিশন
প্লট নং. ১-৩, পার্ক রোড, বারিধারা, ঢাকা-১২১২
কর্ম ঘন্টা: সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত
(রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত)
টেলিফোন নম্বরসমূহ: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬৪
ইপিএবিএক্স: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩০১-৩০৮ এবং +৮৮০-২-৫৫০৬৭৬৪৫-৬৪৯
ফ্যাক্স নম্বর: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬১