উন্নয়ন সহযোগিতা
প্রথম পাতা ›  উন্নয়ন সহযোগিতা  ›  উন্নয়ন সহযোগিতা

উন্নয়ণ সহযোগিতা

 

উন্নয়ন সহযোগিতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সমসাময়িক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এক বিনয়ী শুরুর পর থেকে , বাংলাদেশের সাথে ভারতের উন্নয়নের অংশীদারিত্ব বহুলাংশে বৃহৎ হয়েছে। ভারত, বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ণ সহযোগী মনে করে।ভারতের উন্নয়ণ সহযোগিতা পরিচালিত হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশীপ এডমিনিস্ট্রেশন এর মাধ্যমে।
 
নিম্নে সম্প্রতি  উন্নয়ণ সহযোগিতার  কিছু বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরা হল।

 

ক্রেডিট লাইন
ফার্স্ট লাইন ক্রেডিট হিসাবে  বাংলাদেশকে ২০১০ সালে অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সুবিধা বর্ধিত করা হয়। মূলত, অবকাঠামোগত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে।
ভারতীয় সরকার ২০১২ সালে ক্রমান্নয়ে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান সহায়তা হিসাবে ঋণ দিয়েছে এবং এর আয়তন আরও ৮৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার  পর্যন্ত বর্ধিত করেছে । লাইন অব  ক্রেডিট (এল ও সি) এর আওতায় গৃহিত ৭টি প্রকল্পের মধ্যে ৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দ্বিতীয় লাইন অব ক্রেডিট বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির সফরকালে ঘোষনা করা হয়। এটি ভারত কর্তৃক কোনো দেশকে দেয়া একক সর্বোবৃহৎ লাইন অব ক্রেডিট।

ক্ষুদ্র উন্নয়ণ প্রকল্প
ভারত ও বাংলাদেশ ২০১৩ এর এপ্রিলে ক্ষুদ্র উন্নয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের একটি  সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে।
সমঝোতা  স্বারক অনুযায়ী ইন্ডিয়ান গ্রান্ট অ্যাসিস্ট্যান্স কর্তৃক প্রতি প্রকল্পের জন্য ২৫০ মিলিয়নের উর্ধ্বে নয় এমন  ক্ষুদ্র উন্নয়ণমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হবে।
সমঝোতা স্বারকটির মধ্যে আরও রয়েছে ক্ষুদ্র অবকাঠামো, জীবিকা কার্যকলাপ,শিক্ষা,স্বাস্থ্য অথবা সামাজিক উন্নয়ণ। এই প্রকল্পের প্রাথমিক উদ্দেশ্য। পরিবেশ সংরক্ষণ, নারী ও শিশু কল্যাণ প্রকল্পের প্রাথমিক ফোকাস হবে বলে আশা করা হয়।
স্থানীয় সরকার সংস্থা এবং শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), অর্থ মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ সরকার-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ভারতীয়  হাই কমিশনের কাছে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠাতে পারেন।  

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত
স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসে প্রথমবারের মত ২০০৩ সালে ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যূৎ প্রবাহ সঞ্চালনের জন্য আন্তঃ-গ্রিড সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ভারতের পূর্ব পাশে বাহারামপুর ও বাংলাদেশের ভেড়ামারায়,ভারতের পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশের পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির সহযোগিতায় ৫০০ মেগা ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৪০০ কেভি লাইন চালু করা হয়েছে। আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যেন এই ক্ষমতা আরও ৫০০ মেগা ওয়াটে উন্নীত করা যায়।   

পূর্ব দিকে একটি ১০০ মেগা ওয়াটের নতুন সংযোগ,কুমিল্লাকে ত্রিপুরার সাথে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে ২০১৬ সালে উদ্বোধন করা হয়। ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল কর্পোরেশন(এনটিপিসি)এবং বাংলাদেশের পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড(বিপিডিবি) ৩০শে আগস্ট ২০১০ এক সমঝোতা স্বারক সাক্ষর করে। সমঝোতা স্বারকটিতে সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩২০ মেগাওয়াট (২x৬৬০ মেগাওয়াট) কয়লা বিদ্যূৎ প্রকল্পের নির্মান অর্ন্তভুক্ত। প্রকল্পটি বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.লি.) এর মাধ্যমে ভারতের এনটিপিসি লিমিটেড ও বাংলাদেশের পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হচ্ছে।  

নবায়নযোগ্য শক্তি
বাংলাদেশ-ভারত নবায়নযোগ্য শক্তি সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্বারক গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্বারকটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সৌর,বায়ু ও জৈব জ্বালানি ক্ষেত্রে পারষ্পরিক সুবিধা, সমতা,ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে পারষ্পরিক প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করা যাহা কারিগরী ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ভিত্তি। এ পর্যন্ত তিনটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ-এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে উক্ত সমঝোতা স্বারক বাস্তবায়নের জন্য।   

 

 

 
 
 


ঠিকানা: ভারতীয় হাই কমিশন
প্লট নং. ১-৩, পার্ক রোড, বারিধারা, ঢাকা-১২১২
কর্ম ঘন্টা: সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত
(রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত)
টেলিফোন নম্বরসমূহ: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬৪
ইপিএবিএক্স: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩০১-৩০৮ এবং +৮৮০-২-৫৫০৬৭৬৪৫-৬৪৯
ফ্যাক্স নম্বর: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬১