নৌপথ ও নৌ চলাচল
প্রথম পাতা ›  যোগাযোগ  ›  নৌপথ ও নৌ চলাচল

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে।

 

১৯৭২ সালে প্রথম স্বাক্ষরিত অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল ও বাণিজ্য প্রটোকল অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যে নদী পথে বাণিজ্য ও যাতায়াত নিয়ন্ত্রিতহয়ে আসছে। তখন থেকে প্রটোকলটি কার্যকর এবং ২-৩ বছরের জন্য নিয়মিতভাবে নবায়িত হয়ে আসছে। কার্গো চলাচলের ক্ষেত্রেসংশ্লিষ্ট দুই দেশের মধ্যে নদী পথ ব্যবহারে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌপথ কর্তৃপক্ষের ভ্রমণঅনুমতির প্রয়োজন হয়।

 

অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল ও বাণিজ্য সংক্রান্ত প্রটোকলে ৪টি রুট রয়েছে। আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যে নিয়োজিত অপর দেশের নৌযান চলাচলেসুবিধা দিতে প্রত্যেকটি দেশের ৫টি বন্দরকে ‘পোর্টস অফ কল’* হিসেবে চিহ্ণিত করা হয়েছে। প্রটোকল অনুযায়ী প্রত্যেকটি দেশেরচলাচলকারী নৌযানসমূহকে নির্দিষ্ট বাংকার পয়েন্ট থেকে জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

প্রটোকল রুটের নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ভারত সরকার প্রতিবছর বাংলাদেশকে ১০ কোটি বাংলাদেশী মুদ্রা দিয়ে থাকে।

 

প্রটোকল রুট দিয়ে বছরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন ট্রাফিক পরিবাহিত হয়ে থাকে। এর মধ্যে ১৪ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন আন্তঃদেশীয়বাণিজ্য কার্গো এবং প্রায় ৫ হাজার ট্রানজিট কার্গো। আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য কার্গোর মধ্যে প্রধানত থাকে সিমেন্ট, ক্লিংকার ও ফ্লাই এ্যাশ।২০১১ সালে ত্রিপুরার পালাটানায় বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের যন্ত্রপাতি ওভার ডাইমেনশনাল কনসাইনমেন্ট (ওডিসি) হিসেবে প্রটোকল রুটদিয়ে কলকাতা থেকে আশুগঞ্জ এবং তারপর সড়কপশে আশুগঞ্জ থেকে আগরতলা পৌঁছয়।

 

* পোর্টস অফ কল: যে বন্দরে অল্প সময়ের জন্য থেমে জাহাজ রসদ কয়লা প্রভৃতি সংগ্রহ করে।

****

 
 
 


ঠিকানা: ভারতীয় হাই কমিশন
প্লট নং. ১-৩, পার্ক রোড, বারিধারা, ঢাকা-১২১২
কর্ম ঘন্টা: সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত
(রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত)
টেলিফোন নম্বরসমূহ: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬৪
ইপিএবিএক্স: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩০১-৩০৮ এবং +৮৮০-২-৫৫০৬৭৬৪৫-৬৪৯
ফ্যাক্স নম্বর: +৮৮০-২-৫৫০৬৭৩৬১