Brief on Bilateral Relations দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

ভারত-বাংলাদেশে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

২০১৯ সালে রাজনৈতিক ও সরকারী পর্যায়ের বেশ কিছু উচ্চ পর্যায়ের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ২০১৯ সালের ৩০ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ২০১৯ সালের ০৩-০৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়াদিল্লী সফর করেন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনের ফাঁকে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে দুই প্রধানমন্ত্রীর দেখা হয়েছিল। ২০১৯ সালের ২২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী যৌথভাবে ঐতিহাসিক গোলাপী বল টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচের উদ্বোধন করেন। এই উচ্চ পর্যায়ের সফরগুলি দুই দেশের মধ্যকার বহুমুখী অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার পথ উন্মুক্ত করেছে।

২. ২০১৯ সালের মার্চে দুই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের চারটি দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পগুলো হল- (i) দ্বিতীয় ঋণচুক্তি অধীনে ৫০০টি ট্রাক, ৩০০টি দোতলা বাস এবং ২০০টি এসি বাস সরবরাহ, (ii) বাংলাদেশে ন্যাশনাল নলেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, (iii) বাংলাদেশের পাঁচটি জেলায় ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং (iv) ১১টি পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন। এছাড়াও ২০১৯ সালের অক্টোবরে আরো তিনটি প্রকল্প উদ্বোধন করেন, যেগুলো হল- (i) ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে বিবেকানন্দ ভবন উদ্বোধন, (ii) বাংলাদেশ থেকে বাল্ক এলপিজি আমদানি এবং (iii) খুলনায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে (আইডিইবি) বাংলাদেশ-ভারত পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (বিআইপিএসডিআই) উদ্বোধন।

৩. ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকর ২০১৯ সালের আগস্টে ঢাকা সফর করেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং ভারী শিল্প ও জনউদ্যোগ মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর ২০১৯ সালের নভেম্বরে সাউথ এশিয়া কো-অপারোটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের পরিচালনা পর্ষদের ১৫তম সভায় যোগ দিতে ঢাকা সফর করেন এবং বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী মো. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

৪. বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে অংশগ্রহণ, আগস্ট মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে আসাদুজ্জামান খানের সফর এবং রেলসংক্রান্ত সহযোগিতা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজনের ভারত সফর।

৫. দু'দেশের মধ্যে উল্লিখিত উচ্চ পর্যায়ের সফর ও বিনিময় ছাড়াও বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থায় অংশ নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়েও বিভিন্ন সফর হয়েছে। দুই দেশের বহুমাত্রিক সহযোগিতার সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে পর্যটন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মত চিরাচরিত ক্ষেত্র থেকে শুরু করে পরমাণু বিজ্ঞান, মহাকাশ ও তথ্য প্রযুক্তির মত আধুনিক ক্ষেত্র পর্যন্ত। ২০১৯ সালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ১০টি সমঝোতা স্মারক/চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

নিরাপত্তা এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা:

৬. ২০১৯ সালে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ৪০৯৬.৭ কি. মি. স্থল সীমান্তের ব্যবস্থাপনা ও সুরক্ষা বিষয়ে বিজিবির আঞ্চলিক কমান্ডার এবং বিএসএফের সীমান্ত মহাপরিদর্শকদের মধ্যে সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা:

২০১৯ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক- ভারতীয় নৌবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধানদের সফর, দ্বিতীয় বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ পরিচালনা ও প্রথমবারের মত তিনবাহিনীর কর্মীদের মতবিনিময়, নৌ ও বিমান বাহিনীর মধ্যকার পরিষেবা সংক্রান্ত আলোচনা এবং কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকসমূহ উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। বাংলাদেশের জাতীয় প্যারেডে বিজয় দিবস উদযাপনের সময় ভারতীয় সেনা ব্যান্ড প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছিল। প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে উভয় দেশই পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে এবং সম্প্রসারিত করেছে।

৮. ২০১৯ সালে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কিত কর্মসূচি, মুক্তিযোদ্ধাদের বার্ষিক বিনিময়মূলক সফর এবং মুক্তিযোদ্ধা উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

যোগাযোগ:

৯. উভয় সরকারই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের পূর্বের রেলসংযোগ এবং অন্যান্য যোগাযোগের লিঙ্কগুলি পুনরুদ্ধার করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মানুষে-মানুষে সংযোগ বৃদ্ধির জন্য মৈত্রী এক্সপ্রেস সপ্তাহে চারদিন থেকে সপ্তাহে পাঁচদিন এবং বন্ধন এক্সপ্রেসের সংখ্যা সপ্তাহে একদিন থেকে সপ্তাহে দুইদিন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়াদিল্লী সফরের সময়, উভয় সরকারই উভয় দেশের মধ্যে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য ঢাকা-শিলিগুড়ি-গ্যাংটক-ঢাকা এবং ঢাকা-শিলিগুড়ি-দার্জিলিং-ঢাকা বাস পরিষেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ঢাকা-শিলিগুড়ি-গ্যাংটক-ঢাকা বাস সেবার পরীক্ষামূলক চলাচলও সম্পন্ন হয়।

১০. এছাড়াও, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ ও বাণিজ্য প্রোটোকলের দ্বিতীয় সংযোজনে দু’টি নতুন ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুট (গোমতী নদীর উপর সোনামুড়া-দাউদকান্দি এবং পদ্মা নদীর উপরে ধুলিয়া-গোদাগিরি থেকে আরিচা পর্যন্ত সম্প্রসারণ) অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক:

১১. বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। গত এক দশকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানি ছিল ৯.২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং একই সময়কালে বাংলাদেশ থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল ১.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯ সালে সীমান্ত হাট, নৌ পরিবহণ, স্থল কাস্টমস স্টেশন (এলসিএস)/ সমন্বিত চেকপোস্ট (আইসিপি) অবকাঠামো এবং ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রচারের জন্য বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য উভয় প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নীতিগত পর্যায়ের ইনপুট সরবরাহ এবং উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে বিনিময় সহজতর করার জন্য একটি ভারত-বাংলাদেশ সিইও ফোরাম গঠনের জন্য সম্মত হন।

১২. বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে ভারত থেকে ১১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে। বিদ্যুৎ বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ/ জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভাও ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

উন্নয়ন অংশীদারিত্ব:

১৩. বাংলাদেশ আজ ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। ভারত সড়ক, রেলপথ, নৌ পরিবহণ ও বন্দরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য গত ৮ বছরে বাংলাদেশকে ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তিনটি লাইন অফ ক্রেডিট (এলওসি) দিয়েছে। এলওসিগুলি ছাড়াও ভারত সরকার আখাউড়া-আগরতলা রেলসংযোগ নির্মাণ, বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপথ খনন এবং ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন নির্মাণসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্পের জন্য অনুদান সহায়তা প্রদান করে আসছে।

১৪. ক্ষুদ্র উন্নয়ন প্রকল্পগুলি (এসডিপি) ভারতের উন্নয়ন সহায়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভারত সরকার বাংলাদেশে ছাত্রাবাস, একাডেমিক ভবন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং অনাথাশ্রম নির্মাণসহ ৫৫টি এসডিপিতে অর্থায়ন করেছে এবং আরও ২৬টি এসডিপি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন:

১৫. বাংলাদেশে বিভিন্ন চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং বৃত্তির মাধ্যমে ভারতের উন্নয়ন সহযোগিতা প্রচেষ্টার একটি মূল উপাদান হল মানবসম্পদ উন্নয়ন। ভারত সরকার ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের মুসৌরিতে ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গভর্নেন্সে (এনসিজিজি) প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বাংলাদেশী পুলিশ আধিকারিকদের ভারতের প্রথম সারির বিভিন্ন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন আধুনিক পুলিশিং এবং নতুন অনুসন্ধান কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। একইভাবে, ভারত সরকার ভোপালের ন্যাশনাল জুডিশিয়াল একাডেমি এবং ভারতের বিভিন্ন স্টেট জুডিশিয়াল একাডেমিতে ২০১৭ সাল থেকে ১৫০০ বাংলাদেশী বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বাংলাদেশ ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইটেক অংশীদার এবং প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৮০০জন আইটেক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। এছাড়াও আইআইটি ও এনআইআইটিসহ ভারতের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং এম.ফিল / পিএইচডি কোর্স করার জন্য বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর আইসিসিআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস) ২০০টি বৃত্তি প্রদান করে।

১৬. ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) দুই দেশের মধ্যে সাধারণ সাংস্কৃতিক সংযোগ উদযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইজিসিসির যোগ, কত্থক, মণিপুরী নৃত্য, হিন্দি ভাষা, হিন্দুস্তানী ধ্রুপদী সংগীত প্রশিক্ষণ এবং ভারত-বাংলাদেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মানুষে মানুষে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

ভিসা:

১৭. ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মানুষে মানুষে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য ক্ষেত্রে জনগণকে শক্তিশালী করার জন্য ভারত সরকার কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও এবং বগুড়ায় ছয়টি নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভিএসি) খোলার মাধ্যমে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের মোট আইভিএসি সংখ্যা ১৫তে উন্নীত করেছে। ২০১৯ সালে, বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য দেওয়া ভিসার সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে। ২০১৯ সালে খুলনা এবং সিলেটে দুটি নতুন সহকারী হাই কমিশন খোলার ফলে বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সহজতর হয়েছে।

ডিসেম্বর ২০১৯

***